হেলিকপ্টারে করে বিয়ে করার দুই বছর পর প্রবাসী স্বামীর ১৭ ভরি স্বর্ণ ও ৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও স্ত্রী লামিয়া।।
২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি। মুঠোফোনে বিয়ে হয় মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীর প্রবাসী রবিন এবং লামিয়া আক্তার প্রিয়ার। বিয়ের দিনই হেলিকপ্টারে করে লামিয়াকে শ্বশুরবাড়িতে নেওয়া হয়েছিল বেশ ধুমধাম করে।
রবিনের বাবা আমিরুল ঢালী মুন্সিগঞ্জের আদালতে যে মামলা করেছেন, তাতে অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁর পুত্রবধূ লামিয়া আক্তার প্রিয়া স্বামীর বাড়ি থেকে ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৫ লাখ টাকা এবং দুটি আইফোন ১৫ প্রো-ম্যাক্স নিয়ে চলে গেছেন। পরে পরিবার জানতে পারে, লামিয়া অন্য একজনকে বিয়ে করেছেন।
মামলায় লামিয়া সহ তাঁর বাবা ধলু হাওলাদার, মা রেহানা বেগম এবং দ্বিতীয় স্বামী মো. রাসেলকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, বিয়ের পর দুই বছরে প্রবাসী রবিন তাঁর স্ত্রীকে প্রায় ৩০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন। স্ত্রীকে কানাডায় নেওয়ার জন্য IELTS করানো এবং ভিসা প্রক্রিয়া চালানোর কথাও জানিয়েছেন রবিন।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর,২০২৬ রবিনের পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন লামিয়া বাড়িতে নেই। ২১ সেপ্টেম্বর তাঁরা জানতে পারেন লামিয়া অন্য একজনের সঙ্গে চলে গেছেন এবং তাঁকে বিয়ে করেছেন।
রবিনের দাবি, তাঁকে আইনগতভাবে তালাক না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন তিনি।
লামিয়া আক্তার প্রিয়া এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তাঁকে কানাডায় নেওয়ার ব্যবস্থাও করতে পারেননি রবিন। এ কারণে তিনি রবিনকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বিয়ের সময় পাওয়া স্বর্ণালংকার তিনি নিজের সঙ্গে নিয়ে এসেছেন বলে স্বীকার করলেও নগদ টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
লামিয়ার দ্বিতীয় স্বামী মো. রাসেলও বলেছেন, লামিয়ার আগে বিয়ে হয়েছিল, সেটি তিনি জানতেন। তাঁর দাবি, প্রথম স্বামীকে তালাক দেওয়ার পর পারিবারিকভাবে এবং ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী তিনি লামিয়াকে বিয়ে করেছেন।আইনজীবী হাবিবুর রহমান বাবুল জানিয়েছেন, স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছে এবং মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
#coppypost #news #facebookpost #highlight
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি